আটক ব্যক্তিরা হলো— মো. মাসুদ রানা (৩৫), মোছা. গুলশান আরা লিজা (২৮), মো. রাজু আহমেদ (৪০) ও তার স্ত্রী মোছা. আকলিমা আক্তার (২৫) এবং মোছা.তাছলিমা খাতুন (৩০)। আটকের পর এদের সবাইকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
র্যাব কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘আটক ব্যক্তিরা প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করেছে। তারা নিজেদের বিভিন্ন সময় ভূয়া জেলা জজ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক পরিচয় দিয়ে সিটি করপেরেশনের মেয়র, জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, ঊর্ধ্বতন বন কর্মকর্তা, ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের ব্যবস্থাপক, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ও রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তাদের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। এমন প্রতারক চক্র দেশের বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে এবং এদের প্রত্যেকেরই কমপক্ষে ৮টি করে বিকাশ নম্বর রয়েছে।’
এই র্যাব কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘এরা কৌশলে বিপদগ্রস্ত ব্যক্তিদের আত্মীয়দের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে সমস্যা সমাধানের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়। যেমন, কেউ দুর্ঘটনায় মারা গেলে সাধারণত স্বজনরা চান না ময়নাতদন্ত করতে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে ময়নাতদন্ত রোধ করার কথা বলে নিহতদের আত্মীয়দের কাছে ফোনে টাকা দাবি করা হয়। এভাবে তারা প্রতারণা করে।’