অভিযানের নেতৃত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল মামুন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ২১৪ নম্বর কক্ষে অভিযান চালানো হয়। কক্ষের লকারের ‘খ’ নম্বর লকার থেকে হলুদ কাপড়ের ব্যাগে রাখা দুটি দেশীয় পিস্তল ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়। ২১৫ নম্বর কক্ষ থেকে একটি রক্তমাখা সাদা চেক শার্ট উদ্ধার করা হয়। তবে এই ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।’
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ভারপ্রাপ্ত প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম বলেন, ‘বিভিন্ন সূত্রে প্রক্টর অফিসে খবর আসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের একটি কক্ষে অস্ত্র আছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে আমরা পুলিশ প্রশাসনকে জানাই। তারা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সেই কক্ষে অভিযান চালায়। এসময় সেখান থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবো।’
জানা গেছে, ২১৪ নম্বর কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের রাজিব আহমেদ, একই বিভাগের একই বর্ষের ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ ইমরান রাব্বি, সাংগঠনিক সম্পাদক টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের জুবায়ের রহমান মিশু ও সাংগঠনিক সম্পাদক পরিসংখ্যান বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী শরীফ ভূঁইয়া থাকতেন। তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সজীব তালুকদারের সমর্থক।
এই চারজন নিজের অনুসারী নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সজীব তালুকদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমি ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাইনি। তারাও ১২ তারিখ থেকে কেউ সেখানে থাকেন না। সন্ত্রাসীরা কয়েক দফায় ওই কক্ষটি ভাঙচুর করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কক্ষটিতে তালা দেয়। কেউ তাদের ফাঁসানোর জন্য অস্ত্রগুলো রাখতে পারে।’