সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলা জাগীর ইউনিয়নের আঙ্গুটিয়া এলাকা ধলেশ্বরী নদীতে একই স্থানে তিনটি ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে আসছিলেন স্থানীয় প্রভাবশালী মাটি ব্যবসায়ীরা। তারা এসব মাটি পাইপের মাধ্যমে আশপাশের বিভিন্ন স্থানে ডোবা, নালা ও নিচু জায়গা ভরাট করার জন্য বিক্রি করে আসছিলেন। মাটি উত্তোলনের কারণে নদী তীরবর্তী ফসলি জমি ভাঙনের ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। এমন খবরে রবিবার দুপুরে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জেতী প্রুর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনে ব্যবহৃত দুটি ড্রেজার ও পাইপ ধ্বংস এবং একটি ড্রেজার পুড়িয়ে ফেলে। পুলিশের সহযোগিতায় এই ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন।
এসিল্যান্ড জেতী প্রু বলেন, ‘অভিযানের খবর পেয়ে এসব ড্রেজারের মালিক ও মাটি ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়। এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি। পরে ড্রেজারগুলো ধ্বংস করা হয়।’
সূত্রমতে, সদর উপজেলা কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের দশানী এলাকায় একই নদী থেকে অবৈধভাবে মাটিকাটা হচ্ছে। এসব মাটিও গাড়িতে করে আশপাশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে। এ বিষয়ে জেতী প্রু বলেন, ‘সোমবার সেখানেও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান চালানো হবে। এরপর নদী থেকে মাটি কাটা বন্ধে যথাযথ পদক্ষেপ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’