‘তিনি ক্রান্তিকালে বিএনপি মহাসচিবের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন’





দোয়া মাহফিলে মির্জা ফখরুলপ্রয়াত খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন ক্রান্তিকালে বিএনপি মহাসচিবের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব অ্যাডভোকেট খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন একজন বরেণ্য রাজনীতিবিদ। দৃঢ়তা, অটুট মনোবল এবং ব্যক্তিত্বে তিনি ছিলেন অনন্য উচ্চতায় একজন ব্যতিক্রমী রাজনীতিবিদ। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধিকার, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও জনগণের মুক্তির সব সংগ্রামে তিনি রেখেছেন অসামান্য অবদান। ১/১১-তে দেশের এক চরম রাজনৈতিক ক্রান্তিকালে বিএনপি মহাসচিবের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে তিনি দলের বিরুদ্ধে চক্রান্ত রুখে দিতে যোগ্য নেতৃত্বের স্বাক্ষর রেখেছিলেন।’



শনিবার (১৬ মার্চ) মানিকগঞ্জে এক দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির সাবেক মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাদ জোহর মানিকগঞ্জের ঘিওরের পাঁচুরিয়ায় কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়।
মির্জা ফখরুলের মন্তব্য, ‘স্বৈরাচারের কবল থেকে গণতন্ত্র উত্তোরণের প্রত্যেকটি আন্দোলন সংগ্রামে খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের অবদান দল ও দেশবাসী চিরদিন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।’
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বিনা অপরাধে রাজনৈতিক কারণে কারাভোগ করছেন মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘গণতন্ত্র ও গণতন্ত্রের মানসকন্যা খালেদা জিয়াসহ রাজবন্দিদের মুক্তি এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তার জন্য বিএনপি শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করে যাচ্ছে। বর্তমানে দল পুনর্গঠনের কাজ চলছে। এদেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদী ও স্বৈরাচারী সরকারকে উৎখাত করা হবে।’
দোয়া মাহফিলে যগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, প্রয়াত মহাসচিবের দুই ছেলে খোন্দকার আকবর হোসে বাবলু ও খোন্দকার আকতার হামিদ ডাবলুসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতার উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ১৬ মার্চ সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে খোন্দকার দেলোয়ার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি মানিকগঞ্জ জেলার পাঁচুরিয়ায় ১৯৩৩ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন।