এর আগে, গত ২০ মার্চ স্বামীর মরদেহ আনতে নিউ জিল্যান্ডে যান তার স্ত্রী রিনা আক্তার। সেখানে আনুষ্ঠানিকতা শেষে মঙ্গলবার রাতে দেশে এসে পৌঁছায় জাকারিয়ার মরদেহ। সেখান থেকে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় পলাশ উপজেলার জয়পুরা গ্রামের বাড়িতে।
মরদেহ পৌঁছানোর খবর পেয়ে সকাল থেকেতাকে দেখার জন্য জাকারিয়া ভূঁইয়ার গ্রামের বাড়িতে ভিড় করেন আত্মীয় স্বজনসহ আশেপাশের গ্রামের লোকজন। এসময় শোকের ছায়া নেমে আসে জয়পুরা গ্রামজুড়ে।
নিহত জাকারিয়ার ভগ্নিপতি শরীফ সরকার অভিযোগ করে বলেন, বিমানবন্দর থেকে মরদেহ গ্রহণের সময় তাৎক্ষনিকভাবে দাফন কাফনের জন্য সরকারি কোনও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়নি।
নিহত জাকারিয়ার বড় ভাই আলমগীর ভূঁইয়া বলেন, জাকারিয়ার আয়ের ওপর আমরা অনেকটা নির্ভরশীল ছিলাম, তার মৃত্যু শোক আমরা কী করে সইবো জানি না।
আড়াই বছর আগে বিয়ে হওয়ার ১৭ দিন পর নিউ জিল্যান্ডে চাকরিতে যোগদান করেছিলেন জাকারিয়া ভূঁইয়া। সর্বশেষ ৬ মাস আগে দেশে ফিরে ৪০ দিনের ছুটি কাটিয়ে নিউ জিল্যান্ডে ফিরে যান তিনি।
প্রসঙ্গত, ব্রেন্টন ট্যারান্ট নামক একজন অস্ট্রেলিয়ান গত ১৫ মার্চ নিউ জিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে স্বয়ংক্রিয় বন্দুক নিয়ে হামলা চালালে ৫০ জন মুসুল্লি নিহত হন। হামলায় আহত হন অন্তত ৪৮ জন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন এবং আহতদের মধ্যে তিনজন বাংলাদেশি রয়েছেন।