তানিয়াকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করলো ড্রাইভার নুরু

মামলার প্রধান আসামি নূরুজ্জামান নুরু (গোল চিহ্নিত)

কিশোরগঞ্জে চলন্ত বাসে নার্স শাহীনুর আক্তার তানিয়াকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেছে মামলার প্রধান আসামি স্বর্ণলতা বাসের ড্রাইভার নূরুজ্জামান নুরু। শনিবার (১১ মে) রাতে তাকে আদালতে হাজির করলে সে তানিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়।
রবিবার (১২ মে) ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
আজ দুপুর দেড়টায় কিশোরগঞ্জ পুলিশ অফিসে এ নিয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
প্রসঙ্গত, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের পিরিজপুর রুটে চলাচলকারী স্বর্ণলতা পরিবহনের একটি বাসে গত ৬ মে তানিয়াকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। বাজিতপুর উপজেলার গজারিয়া নামক স্থানে কিশোরগঞ্জ-ভৈরব আঞ্চলিক মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে। ওই দিন ঢাকা থেকে কটিয়াদী ও বাজিতপুরের পিরিজপুর হয়ে নিজ গ্রামে ফিরছিলেন তানিয়া। তিনি কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুরি ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামের মো. গিয়াসউদ্দিনের মেয়ে। তানিয়া ঢাকার কল্যাণপুরে ইবনে সিনা হাসপাতালে সেবিকা পদে কর্মরত ছিলেন।
এ ঘটনায় বাসের চালক নূরুজ্জামান নুরু (৩৯) ও সহকারী লালন মিয়াসহ (৩২) মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।