শুক্রবার (২৪ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে নিহতের পরিবার এ অভিযোগ করে। এ সময় হাসপাতালের কর্মকর্তা ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের শাস্তির দাবি জানান তারা।
এ ঘটনার প্রতিবাদে এলাকাবাসী ও স্বজনরা গতকাল রাতেই শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেন এবং সড়ক অবরোধ করে রাখেন।
নিহত মুকুল আকন্দ টাঙ্গাইল পৌরসভার আকুরটাকুর পাড়া এলাকার বাসিন্দা।
নিহতের ছোট ভাই হুমায়ন রশিদ আকন্দ সোনা বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকালের দিকে শ্বাস কষ্টের সমস্যা দেখা দেয় বড় ভাই মুকুল আকন্দের। এ সময় তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করি। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায়, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। আমরা অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করতে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সজিব অক্সিজেন মাস্কটি খুলে দেন। এরপর ছটফট করতে করতে আমার ভাই মারা যান।’
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনার সময় সংবাদকর্মীরা ভিডিও ধারণ করতে গেলে, তাদের ওপরও চড়াও হন ইন্টার্ন চিকিৎসক ও কর্মচারীরা। পুলিশ সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত স্বজনদের উদ্ধার করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, ‘বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করছি। ওই রোগীকে জরুরি বিভাগ থেকে ঢাকায় রেফার করা হয়েছিল। ঢাকায় নেওয়ার সময় নিচ তলায় রোগী মারা যান। রোগী মারা যাওয়ার পর, তার পরিবারের লোকজন জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত ইন্টার্ন চিকিৎসক ও কর্মচারীদের মারধর করে আহত করেছে।’