মঙ্গলবার (৪ জুন) সকাল থেকেই দৌলতদিয়া ঘাট প্রান্তে কোনও যানজট লক্ষ্য করা যায়নি। এদিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘাট এলাকায় র্যাথব, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল দিচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সফিকুল ইসলাম জানান, স্বাভাবিক সময়ে এই নৌপথ দিয়ে প্রতিদিন গড়ে তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার ছোট বড় যানবাহন পারাপার করা হয়। এখন ঈদ উপলক্ষে প্রতিদিন কমপক্ষে সাত হাজার যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ২০টি ফেরি চলাচল করছে। ঈদের আগে ও পরের তিন দিন ঘাটে শুধু জরুরি পণ্য ও যাত্রীবাহী গাড়ি পারাপার হবে।
দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটে কর্মরত বিআইডব্লিটিএ’র সুপারভাইজার কোরবান আলী জানান, এর আগের ঈদগুলোর চেয়ে এ বছর ভোগান্তি কমাতে একটু আলাদা পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ বছর তারা নিজেরা লঞ্চ তদারকি করছেন। কোনও লঞ্চে বাড়তি যাত্রী যাতে না নিতে পারে সেজন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত রয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. আলমগীর হুসাইন বলেন, ‘ভাড়া বেশি নেওয়ার ব্যাপারে কোনও অভিযোগ এখনও আমরা পাইনি। ঘাটে আমাদের ম্যাজিস্ট্রেট আছে তারা বিষয়টি দেখছে। এছাড়া গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন। যাতে করে কেউ কোনও ধরনের হয়রানি ছাড়াই নির্বিঘ্নে ঘরে ফিরতে পারে।’
গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবায়েত হায়াত শিপলু বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যাত্রী হয়রানি বা কোনও ধরনের অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি। সার্বক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘাট তদারকি করছেন। অতিরিক্ত ভাড়া বা কোনও ধরনের অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’