কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ভাবিকে হত্যা মামলার রায়ে আজহারুল ইসলাম মিলন (৪৩) নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় আসামিদের উপস্থিতিতে কিশোরগঞ্জের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আজহারুল পাকুন্দিয়া সদরের মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত ছায়ামুদ্দিনের ছেলে।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১৫ জুন সকাল সাড়ে দশটার দিকে পারিবারিক কলহের জের ধরে আজহার তার বড় ভাই বাবুলের স্ত্রী তাসলিমা আক্তারকে (৪৫) দা দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। পরে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
ভাবিকে হত্যার পর আজহারুল ইসলাম ওই বিকেলে পাকুন্দিয়া থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন।
পরের দিন (১৬ জুন) নিহতের ভাই মো. শাহাবুদ্দিন বাদী হয়ে আজহারকে একমাত্র আসামি করে পাকুন্দিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। নিহত তাসলিমা পাকুন্দিয়া সদরের ছয়ছির গ্রামের ফজর আলী ও সৈয়দ বানুর মেয়ে।
মামলাটি তদন্ত করে ২০১৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন পাকুন্দিয়া থানার উপ-পরিদর্শক শেখ জিয়াউল রাব্বী।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ শাহজাহান ও আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন।