মন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বাংলার মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগকে নির্বাচিত করেছিলেন। কিন্তু নির্বাচনে জয়ের পর সেদিন পাকিস্তানি হায়েনারা বঙ্গবন্ধুর কাছে দায়িত্ব ও ক্ষমতা হস্তান্তর করেনি। এরপর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু যে নির্দেশনা দিয়েছিলেন, এর প্রেক্ষিতে আমরা বাংলার মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধ করে এদেশকে স্বাধীন করেছি।
তিনি দাবি করেন, ‘দেশ স্বাধীন হওয়ার মাত্র সাড়ে তিন বছর পরেই মুশতাক-জিয়া চক্র জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যা করে দেশের ক্ষমতায় আসে। তারা জাতির পিতার আত্মস্বীকৃত খুনিদের পুরষ্কৃত করে এবং বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারকে বন্ধ করে দেয়। জিয়াউর রহমান ৭১ এর পরাজিত শক্তির লোকদের মন্ত্রিসভায় জায়গা করে দেন।’
তবে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ধাপে ধাপে আন্দোলন করে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসেছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসেছে বলে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে। বাংলাদেশ আজ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আর এ কারণেই বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে।
জেলা শহরের রাজবাড়ি মাঠে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপত্বি করেন গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আজমত উল্লাহ খান। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি, বেগম শামসুন্নাহার এমপি, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, আওয়ামী লীগ নেতা কাজী আলীম উদ্দিন বুদ্দিন, অ্যাডভোকেট ওয়াজ উদ্দীন মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ নয়ন, কাজী ইলিয়াস প্রমুখ।