আবু জাফর জেলা শহরের সজ্জনকান্দা গ্রামের ইসারত আলী খানের ছেলে এবং সোবাহান গোয়ালন্দ উপজেলার নুয়াই মণ্ডলেরপাড়ার মৃত দবির মণ্ডলের ছেলে।
জানা গেছে, মা ও শিশু চক্ষু ক্লিনিকে শনিবার (৬ জুলাই) এক রোগীর চোখের অপারেশন হয়। রবিবার সকালে ওই রোগীর স্বজন ও স্থানীয়রা ক্লিনিক ও চিকিৎসকের কাগজপত্র দেখতে চান। কাগজপত্র দেখাতে না পারলে উত্তেজিত জনতা তাদের আটক ও মারধর করে।
এসআই জাহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ওই দু’জনকে আটক করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। রবিবার বিকালে সেখানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুল্লাহ কাগজপত্র না থাকা এবং পাবনার একটি ক্লিনিকে নাক ও কানের চিকিৎসক হিসেবে সরকারি মনোগ্রামসহ প্যাড ছাপানোর কারণে ভুয়া ডাক্তার সোবাহানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। সেইসঙ্গে ক্লিনিকের মালিককে আটক ও কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সময় দেওয়া হয়।