সাজাপ্রাপ্তরা হলো- আমির সোহেল মিয়া, আমীর হোসেন, রায়হান মোল্লা, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুর রউফ, আব্দুল গাফফার, তোফাজ্জেল হোসেন, মর্তুজা ও খাললুর রহমান। তাদের মধ্যে মর্তুজা পলাতক রয়েছেন। অন্য আট আসামি রায় ঘোষণার সময় আদালতে ছিলেন। পলাতক মর্তুজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
২০০৫ সালের ১৭ অগাস্ট দেশের ৬৩টি জেলায় একযোগে বোমা হামলা চালায় জেএমবি।
ফরিদপুরের জজ আদালতের পিপি গোলাম রব্বানী বাবু মৃধা মামলার নথির বরাতে জানান, ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট অন্যান্য জেলার মতো ফরিদপুরেও বোমা হামলা হয়। এ ঘটনায় ফরিদপুর থানায় মামলার পর পুলিশ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। আটক জেএমবি সদস্য আমির সোহেল মিয়া ও আমীর হোসেন দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
সাক্ষ্য-প্রমাণে আদালত ৯জনকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন দিয়েছেন। এছাড়া অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত আরও পাঁচ আসামিকে খালাস দিয়েছেন। খালাস পাওয়া আসামিরা হলেন- মিজানুর রহমান মুকুল ওরফে মোয়াবিয়া, ইউসুফ আলী ওরফে আল্লামা ইউসুফ, ইয়াসিন সিকদার, তরিকুল ইসলাম ওরফে শুকুর ও আরিফ খান।
পিপি রব্বানী বলেন, ‘রায়ে আমরা খুশি হয়েছি। তবে আদালত পাঁচ আসামিকে খালাস দেওয়ায় আমরা আপিল করবো।’