র্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে চালানো ওই অভিযানে সহযোগিতা করেন র্যাব-১১-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক জসিম উদ্দিন চৌধুরী।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম জানান, স্ক্রিম পাউডার, লবণ, সোডিয়াম, পানি ও বিভিন্ন রাসায়নিকের সংমিশ্রণে ভেজাল ও নকল দুধ ও দই উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছিল ওই প্রতিষ্ঠানটি।
অভিযান শেষে র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এ কারখানায় ১৮ লিটার গরুর দুধ দিয়ে ২২শ’ ৯২ লিটার পাস্তুরিত দুধ তৈরি হতো। এতে স্ক্রিম পাউডার, লবণ, সোডিয়াম, পানি ও বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্যের সংমিশ্রণ দেওয়া হতো। এ ছাড়া, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ভেজাল দুধ তৈরি ও উৎপাদনের তারিখ নিয়ে প্রতারণার দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে এ শাস্তি দেওয়া হয়েছে। র্যাবের ম্যাজিস্ট্রেট আরও জানান, প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান আক্কাস আলী ও এমডি আজগর আহমেদ পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ১৪ কোম্পানির পাস্তুরিত দুধের বিষয়ে তিনটি সংস্থার প্রতিবেদন বিবেচনায় নিয়ে গত ২৮ জুলাই হাইকোর্ট আদেশ দেন, ওই কোম্পানিগুলোকে দুধ উৎপাদন ও বিপণন পাঁচ সপ্তাহের জন্য বিরত রাখতে হবে। ওই ১৪ কোম্পানির একটি হলো বারো আউলিয়া ডেইরী মিল্ক অ্যান্ড ফুডস লিমিটেড।