কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার এবং স্বপ্নের সোনার বাংলা নির্মাণের জন্য সৃষ্টিকর্তা বঙ্গবন্ধুর কন্যাদের বাঁচিয়ে রেখেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় ও সাহসী নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। এশীয়-প্যাসিফিক দেশগুলোর মধ্যে দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জনের ক্ষেত্রে এক নম্বরে থাকা ভিয়েতনামের পরেই বাংলাদেশের অবস্থান। দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে বর্তমানে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।’
আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু বুঝতে পেরেছিলেন, পাকিস্তানের শাসকদের মাধ্যমে বাঙালির অধিকার রক্ষা হবে না। তাই তিনি কখনোই এই অঞ্চলকে পূর্বপাকিস্তান নামে অভিহিত করতে চাননি; বরং তিনি এই ভূখণ্ডকে বঙ্গদেশ, পূর্ববঙ্গ বা বাংলাদেশ বলতে স্বস্তিবোধ করেছেন। তিনি স্বাধীনতার সেতু হিসেবে ছয় দফা পেশ করেছিলেন। ছয় দফার সেতু দিয়েই স্বাধীনতার পথে বাংলাদেশ এগিয়েছে। বঙ্গবন্ধু এ দেশে জন্মেছিলেন বলেই, বাংলাদেশ নামে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতির ভাষণে জাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শুধু জাতির পিতা নন, তাঁর নাম বাঙালির হৃদয়ে প্রতিনিয়ত অনুরণিত হয়। দেশপ্রেমিক বাঙালির পক্ষে জাতির পিতাকে হত্যা করা সম্ভব ছিল না। আমাদের মধ্যে যারা দেশ ও দশের শত্রু ছিল, তারাই বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করেছে।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন, প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. নূরুল আলম ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক।
অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজের পরিচালনায় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. অজিত কুমার মজুমদার, অফিসার সমিতির সভাপতি আবু হাসান, কর্মচারী সমিতির সভাপতি মনির হোসেন ভূইয়া, কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি শরীফ মিয়া ও ছাত্রলীগ নেতারা বক্তব্য রাখেন।