চামেলী মানিকগঞ্জের মমতাজ চক্ষু হাসপাতালে নার্স হিসেবে চাকরি করতেন। তার ২৭ দিন বয়সী এক পুত্র সন্তান রয়েছে। চামেলীর বড় ভাই মো. আনোয়ার হোসেন এই তথ্য জানান।
তিনি জানান, তার বোনকে প্রাথমিকভাবে প্রথমে শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা করে তার ডেঙ্গু ধরা পড়ে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার বোনকে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে ৬ দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর তার বোনের অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে লাইভ সাপোর্টে দেওয়া হলে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তার বোন চামেলী মারা যায়।
মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ডেঙ্গু ওয়ার্ডের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. মানবেন্দ্র সরকার মানব বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ওই রোগী গত ২৯ আগস্ট দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে হাসপাতালে ভর্তি হন। তার অবস্থা অবনতি হওয়ায় মঙ্গলবার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তরিত করা হয়।