মোনায়েম হোসেন বলেন, ‘আদালতে আসামি কামরুজ্জামান ওরফে কামরুল, আব্দুল লতিফ এবং আব্দুল কাদেরের জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছিল। আদালত তাদের তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। আজই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের পিবিআই হেফাজতে নেওয়া হবে।’
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সালাহউদ্দিন শিকদার জানান, গত ৩ সেপ্টেম্বর ঘটনা তদন্তে তার নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির আজ রবিবার প্রতিবেদন দাখিলের কথা ছিল। তবে তা করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার গুরুত্ব অনুধাবন এবং সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে পুলিশ সুপার মহোদয়ের কাছে আরও সাত দিন সময় বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ২ সেপ্টেম্বর শার্শা উপজেলার লক্ষ্মণপুর এলাকায় ওই গৃহবধূ বাড়িতে গভীর রাতে যায় পুলিশের এসআই খায়রুল, সোর্স কামরুলসহ চারজন। তারা ওই গৃহবধূর কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এসআই খায়রুল ও কামরুল তাকে ধর্ষণ করেন বলে ওই গৃহবধূ অভিযোগ করেন।
৩ সেপ্টেম্বর সকালে ওই গৃহবধূ যশোর জেনারেল হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষা করাতে এলে বিষয়টি জানাজানি হয়। ওইদিন রাতেই শার্শা থানায় মামলা করেন গৃহবধূ। মামলায় এসআই খায়রুলের নাম রাখা হয়নি। আসামি করা হয় কামরুজ্জামান ওরফে কামরুল, লক্ষ্মণপুর এলাকার আব্দুল লতিফ, আব্দুল কাদের ও অজ্ঞাত একজনকে।