আহত মুন্না ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ মেরাজ হোসেন এর ছেলে। দাপা এলাকায় তারা বসবাস করেন। মুন্না ফুতুল্লা থানা ছাত্রলীগের ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এবং এলাকায় গার্মেন্টসের ওয়েস্টেজ ব্যবসায়ী বলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
আহত মুন্নার ভাই শাওন জানান, বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত স্থানীয় চাঁদাবাজ সাইফুল ও রকির সাথে মুন্নার ব্যবসায়িক বিরোধ ছিলো। সেই বিরোধের জের ধরে মুন্নাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সোমবার সন্ধ্যায় পোস্ট অফিস রোডের বটতলা এলাকায় তার উপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। সন্ত্রাসীরা মুন্নাকে এলাপাতাড়ি কুপিয়ে তার শরীরে ও মুখে এসিড দিয়ে ঝলসে দেওয়া হয়েছে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে। খবর পেয়ে মুন্নাকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে স্বজনেরা।
শাওন জানান, মুন্নার শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। বাঁচবে কিনা সন্দেহ আছে। এ ঘটনার পর পরিবারের সবাই ঢাকা মেডিকেলে চলে আসায় এখন পর্যন্ত থানায় অভিযোগ দেয়ার সুযোগ হয়নি। তবে আগামীকালের মধ্যে থানায় মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।
ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু মোহাম্মদ শরিফুল হক বলেন, মুন্না আমাদের ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় নেতা। সে ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক পদে আছে। হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, মুন্নার এক মামা ফোন করে হামলার বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন। তবে বিস্তারিত কিছুই তিনি বলেননি। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তার পরিবারের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত আর কেউ আমার সাথে যোগাযোগ করেননি।
হামলার ব্যাপারে ফতুল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: আসলাম হোসেন বলেন, এ ঘটনার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। এখন পর্যন্ত কেউ এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগও করেনি। তিনি জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।