এ বিষয়ে কয়েকজন ভুক্তভোগী নারী বাছেদ শেখের বিরুদ্ধে পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
মাতৃত্বকালীন ভাতাপ্রাপ্ত শারমিন আক্তার, তাসলিমা বেগম, শামসুন্নাহারসহ একাধিক নারী জানান, গত তিন মাস ধরে তাদের ভাতা বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি জানতে তারা বাছেদ শেখের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাদের কাছ থেকে ৫০০ থেকে হাজার টাকা করে দাবি করা হয়। টাকা দিলে পুনরায় তাদের ভাতা চালু হবে বলে জানিয়েছেন বাছেদ।
এ বিষয়ে বাছেদ শেখ বলেন, ‘এটি ভুল বোঝাবুঝি ছিল। বিষয়টি মীমাংসা করে নেওয়া হয়েছে।’
এ ব্যাপারে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রওশন আরা বলেন, ‘টাকা নেওয়ার বিষয়টি আমার কানে এসেছে। অনেক সময় অ্যাকাউন্টধারীর ভুল তথ্য দেওয়ার কারণে ভাতা পেতে সমস্যা হয়। হয়তো সেসব ঠিক করতে কিছুটা খরচ চেয়েছিল। তবে এসব বিষয়ে টাকা নেওয়ার বিধান নেই।’
পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা ইয়াসমিন জানান, ঘুষ নেওয়ার লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি তদন্তের জন্য একজন অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্তের পর এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।