লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় পারাপারের জন্য যাত্রীদের শুধু ফেরির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এরপরও সবগুলো ফেরি চালোনা করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে ঘাটের দু’পাশে যানবাহনের তীব্র লাইনের সৃষ্টি হয়েছে। কয়েকদিন ধরে পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে শত শত মালবাহী ট্রাক। দেখা যাচ্ছে যাত্রীবাহী পরিবহনের দীর্ঘ সারি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষমাণ যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।
বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) আবু আবদুল্লাহ জানান, স্রোতে ভাঙনের কবলে পড়েছে দৌলতদিয়ার ১ ও ২ নম্বর ফেরিঘাট। তাই এই ঘাট দুটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে বর্তমানে ১৩টি ফেরি রয়েছে, এর মধ্যে ১০টি পারাপারের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।
রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আরিফুর রহমান অঙ্কুর জানান, ঘাটের উজানে দেবগ্রাম ও দৌলতদিয়া ইউনিয়নে প্রচুর ভাঙন আছে। যদি দেবগ্রাম ও দৌলতদিয়া ইউনিয়ন ভেঙে যায়, তাহলে পানির ধারা সরাসরি ঘাটে এসে লাগার সম্ভাবনা আছে। তাই ওই দুই ইউনিয়নের ভাঙন ঠেকাতে জরুরি ভিত্তিতে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।