স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘দেশে এখন ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। আগামীতে ডেঙ্গু মোকাবেলায় স্বাস্থ্য বিভাগের সব ধরণে প্রস্তুতি রয়েছে। তবে এডিস মশা নির্মূলের জন্য সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাকে সঠিক সময় দায়িত্ব পালন করতে হবে। শনিবার বেলা ১২টার দিকে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন,‘জনগণের সেবার জন্য ডাক্তারদের চাকরি দেওয়া হয়েছে। নিয়মবহির্ভূতভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এসময় পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম, কর্নেল মালেক মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. মো. আখতারুজ্জামান, সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ারুল আমিন আখন্দ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাদিরা আক্তার, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. আব্দুল আওয়াল, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমাউল হুসনা লিজা, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সুলতানুল আজম খান আপেল, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক লিয়াকত আলী ভাণ্ডারি, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন,‘আড়াই হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের আটটি বিভাগে পনের তলা বিশিষ্ট আটটি নতুন হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। এই হাসপাতালে প্রথম ছয় তলায় ক্যান্সারের চিকিৎসা করা হবে। এরপর কিডনির অনুমোদন দেওয়া হবে। কারণ কিডনি রোগীদের ডায়ালাইসিসের জন্য ঢাকায় যেতে হয়। ডায়ালাইসিস করতে গিয়ে অনেক সময় গরীব মানুষ নিস্ব হয়ে যায় এবং অনেকে মৃত্যুবরণ করেন। একারণে প্রতিটি জেলায় দশ বেডের কিডনি হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন,‘গত চার মাসে দুই হাজার ডাক্তারকে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। তারা বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজে পড়াশোনার পাশাপাশি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দিবে। আগামী ৮ ডিসেম্বর সাড়ে ৪ হাজার নতুন ডাক্তার জেলা উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে যোগদান করবে। এতে করে হাসপাতালগুলোতে আর ডাক্তার সংকট থাকবে না।’