শিল্প প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘স্টিল বিল্ডিং নির্মাণে ব্যাংক সুদ যেন কোনও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে না পারে সেদিকে নজর দেওয়া হবে।’
কামাল আহমেদ মজুমদার বলেন, ‘যন্ত্রপাতি আনার ক্ষেত্রে ট্যাক্স ও ডিউটি ড্রপ কমানোর কাজ করা হবে। দেশে কোনও যন্ত্রপাতি উৎপাদন করা হলে, বিদেশ থেকে আনার প্রতি নিরুৎসাহিত করা হবে।’
এ সময় স্টিলমার্ক বিল্ডিংস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. রেজওয়ানুল মামুন বলেন, ‘দেশে ছোট বড় প্রায় দুইশটি স্টিল বিল্ডিং কোম্পানি রয়েছে। এগুলোর পূর্ণ সক্ষমতা রয়েছে স্টিল বিল্ডিং তৈরির। স্টিল বিল্ডিং তৈরির সক্ষমতাসম্পন্ন কোম্পানিগুলোকে টেন্ডারে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয় না। অথচ সাব-কন্ট্রাক্টের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্টিল বিল্ডিং কোম্পানিগুলো বিল্ডিং তৈরির কাজ করছে। এ পর্যন্ত দেশে ৯৫০টির বেশি প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়েছে এ দেশীয় কোম্পানিগুলো।’
স্টিলমার্ক বিল্ডিংস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরও বলেন, ‘এ দেশের কোম্পানিগুলো বিল্ডিং তৈরির কাঁচামাল বাইরে থেকে আনছে ২৭ থেকে ৬১ শতাংশ কাস্টমস ডিউটি (শুল্ক) দিয়ে। কিন্তু বিদেশি কোম্পানিগুলোকে মাত্র এক শতাংশ কাস্টমস ডিউটি দিতে হয়। এ শিল্পের প্রসারে দেশীয় স্টিল বিল্ডিং নির্মাণ কোম্পানিগুলোকে টেন্ডারে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া খুবই দরকারি।’
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার আগে শিল্প প্রতিমন্ত্রী স্টিলমার্ক বিল্ডিংস লিমিটেডের উৎপাদিত পণ্য ঘুরে দেখেন।