দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানা যায়, শুভ গত শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে শিশু সাদিয়াকে কৌশলে রাজধানীর রামপুরা এলাকা থেকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ইকুরিয়া মুসলিম নগর এলাকায় নিয়ে যায়। পরে সেখানে একটি হাউজিং প্রকল্পের নির্জন প্লটের ভেতরে তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে পালিয়ে যায় সে।
পরের দিন শনিবার দুপুরে সাদিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়। ওইদিন রাতেই এস আই সাক্রাতুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আব্দুর রশিদ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাজধানীর ২৪৮/৭ পূর্ব রামপুরার টিভি লিংক রোড এলাকা থেকে শুভকে গ্রেফতার করে। শুভ ওই এলাকার একটি ইন্টারনেট ও ডিশ অফিসের বিলম্যানের কাজ করতো। তার বাড়ি নেত্রকোনা জেলার সদর থানার মহিষহাটি গ্রামে।
সাদিয়া রামপুরার মিসবাহুল জান্নাত মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। তার বাবার নাম মো. রফিকুল ইসলাম। তাদের বাড়ি পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া থানার ঘাটিচোরা গ্রামে। সাদিয়া তার বাবা-মায়ের সঙ্গে রাজধানীর ২৪৮/৭ পূর্ব রামপুরার টিভি লিংক রোড এলাকায় সেলিমুজ্জামানের বাড়িতে ভাড়া থাকতো।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি মো. শাহজামান বলেন, শিশুটি গত শুক্রবার নিখোঁজ হওয়ার পর ওইদিন রাতেই তার বাবা রামপুরা থানায় একটি জিডি করেছিলেন। মামলাটি আরও তদন্ত করা হবে। মূল ঘাতককে গ্রেফতার করতে পেরে আমরা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছি।