অভিযোগের বিষয়ে ভোলাব তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘হুমায়ূন নামে আমার কোনও ভাই নেই। আর আমার অফিসে এ ধরনের কোনও ঘটনাও ঘটেনি। আল আমিন নামেও পুলিশের কোনও সোর্স নেই। মামলার তদন্তেই বের হয়ে আসবে কোথায় এই ঘটনা ঘটেছে।’
রুপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানান, কাঞ্চন পুলিশ ফাঁড়ির সামনে এক দম্পতিকে আটকে রেখে ভুয়া পুলিশ পরিচয়দানকারী দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে চাঁদা চাওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে। এরইমধ্যে আল আমিন নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভুয়া পুলিশ সেজে তারা এই দম্পতির কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, ভোলাব ইউনিয়নের পাইস্কা এলাকার চাঁন মিয়ার ছেলে আজিজুল ইসলাম সুজন কাঞ্চন এলাকার মাওলানা হানিফের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকালে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রোজিনা বেগমকে কাঞ্চন বাজারের নুপুর ফার্মেসিতে ডাক্তার দেখিয়ে বাসায় ফিরছিলেন। কালাদী স্ট্যান্ডে পৌঁছালে ভোলাব তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ শফিকুল ইসলামের ভাই হুমায়ূন হোসেন ও তার সহযোগী আলামিন পুলিশ পরিচয় দিয়ে তাদেরকে কাঞ্চন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের কক্ষে আটকে রাখে। পরে তাদের কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। তারা টাকা দিতে না চাইলে তাদেরকে ১০০ পিস ইয়াবা দিয়ে কোর্টে চালান দেওয়ার ভয়ভীতি দেখায়। একপর্যায়ে ইনচার্জের ভাই ও তার সহযোগী আল আমিন আজিজুল ইসলামকে মারধর ও স্ত্রীকে গালাগালি করে। পরে আজিজুল ইসলাম সুজন তার মা হোসনেয়ারা বেগমকে খবর দিলে তিনি পুলিশ ফাঁড়িতে আসেন। পুলিশ পরিচয়দানকারী ভোলাব তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জের ভাই হুমায়ূন হোসেন ও আলামিন হাসনেয়ারা বেগমকেও ইনচার্জের কক্ষের ভেতর নিয়ে যায়। পরে হোসনেয়ারা বেগম ৩৫ হাজার টাকা দিয়ে তাদেরকে ছাড়িয়ে নেয়।