জানা যায়, ১৯৮৮ সালে শিল্পের মাধ্যমে উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে প্রায় ১০.৪০ একর জমির ওপর মানিকগঞ্জে এই ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের যাত্রা শুরু হয়। শিল্পনগরীটি এখন চলছে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা একজন কর্মকর্তা, একজন পিয়ন ও একজন পানির পাম্প চালক দিয়ে। অনুমোদিত হিসাবরক্ষকের পদটি ২০০৭ সাল থেকে শূন্য রয়েছে। দারোয়ানের পদটিও এক যুগের বেশি সময় ধরে খালি। হিসাবরক্ষক পদটি সম্প্রতি খালি হয়েছে।
এই কর্মকর্তা আরও জানান, নাগার গার্ডেন (প্রা.) লি. বিসিক থেকে ৪৫ হাজার বর্গফুট ভূমি বরাদ্দ নেয়। এর মধ্যে ৩১ হাজার ৫০ বর্গফুটের বিপরীতে বেসিক ব্যাংক, ঢাকার একটি শাখা থেকে ৩৫ কোটি টাকার ঋণ গ্রহণ করে। অথচ প্রতিষ্ঠানটির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ মিলিয়ে এর এক ভাগও হবে না।
এদিকে, বাংলাদেশ অ্যাপারেল এক্সেসরিজ লি. নামের একটি প্রতিষ্ঠান ব্যাংক ঋণে দেউলিয়া হয়েছে। ৪ কোটি টাকা ঋণ পরিশোধ না করায় বেসিক ব্যাংক লি. এর গুলশান শাখা প্রতিষ্ঠানটির ৯ হাজার ৯শ’ বর্গফুট জমি নিলাম করেছে।
বিসিকের ওই কর্মকর্তা আরও জানান, নতুন উদ্যোক্তা খোঁজা হচ্ছে। নতুন উদ্যোক্তা না হলে এই শিল্প টিকবে না।
মানিকগঞ্জ চেম্বারের পরিচালক শহিদুল ইসলাম সুজন বিসিকের কর্মকাণ্ড নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, এমনিতে অনেক প্রতিষ্ঠান ঋণ নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে তাদের কারখানা বন্ধ করে দিয়েছে। এ রকম একটি সংকটময় পরিস্থিতির মুখে শিল্পনগরীর চাকাকে সচল করতে নতুন উদ্যোক্তা আনতে হবে। কিন্তু বিসিকের অসহযোগিতার কারণে নতুন উদ্যোক্তা বিনিয়োগ করতে ভরসা পাচ্ছে না।