এ সময় শাহ আহমদ শফি বলেন, ‘ইসলামের চারটি মাজহাবের ইমামদের পীর ছিল। তাহলে আপনাদেরও মুরিদ হতে হবে। আমি নিজেও মুরিদ হয়েছি। আমারও পীর আছেন। এখানে (সম্মেলন স্থলে) আমার খলিফাও রয়েছে। আমাদের মাজহাবের ইমাম হলেন আবু হানিফা। তার পীর ছিলেন ইমাম জাফর সাদেক (রহ.)। যেহেতু বিভিন্ন মাজহাবের ইমামদের পীর ছিল এবং তাদের চেয়ে আমাদের মর্যাদা বড় নয়, সেহেতু আপনাদেরও মুরিদ হতে হবে।’
তিনি আহলে বাইয়াতের গুরুত্ব জানিয়ে উপস্থিত সবাইকে তার কাছে মুরিদ হওয়ার আহ্বান জানান। পরে তার সঙ্গে তওবা ইস্তেগফার পড়তে বলে উপস্থিত সবাইকে মুরিদ করেন।
এর আগে বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য হজরত মাওলানা আশেকে মোস্তফার সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন সবুজ। আরও উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শামসুল আলম প্রধান, শ্রীপুর পৌরসভার মেয়র আনিছুর রহমানসহ রাজনৈতিক ব্যক্তি ও বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
সম্মেলনে শ্রীপুর উপজেলার বিভিন্ন কওমী মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ১২তম বার্ষিক পরীক্ষায় কৃতী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।