বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে ঢাকার সদরঘাটে বুড়িগঙ্গায় তরল ড্রেনেজ বর্জ্য বিশুদ্ধকরণের লক্ষ্যে পরিশোধনাগার ও নদী পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ধোধনের সময় তিনি এসব কথা বলেন।
নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসার পরে তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় থাকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকার চারপাশের নদীগলো সংস্কারে টাস্কফোর্স গঠন করেন। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা কাজ শুরু করেছি। ঢাকার চারপাশের নদীগুলোসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলো এই টাস্কফোর্সের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ঢাকার চারপাশের চারটি নদীর সংস্কার কাজের প্রকল্পের অনুমোদন হয়েছে। এই প্রকল্পের মধ্যে নদী দূষণের বিষয়টি বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা কাজ শুরু করে দিয়েছি।’
নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘নদীর সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে, নদীর দুই পাশে ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে, সদরঘাটে জেটি নির্মাণ করা হয়েছে। আজকে আমরা যে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে এখানে উপস্থিত হয়েছি সেটা হলো মুজিববর্ষের সূচনালগ্নে ঢাকার ওয়াসার পানিগুলো নদীতে আসছে, সেই পানিগুলো বিশুদ্ধ করার প্রকল্পের কাজ উদ্বোধন করলাম। এই প্লান্টের মাধ্যমে ওয়াসার ময়লা পানিগুলো বিশুদ্ধ হবে। এই পানি খাওয়া যাবে না কিন্তু এই পানি নদীতে পড়লে নদীর পানি আর দূষিত হবে না। এটি আমাদের একটি পাইলট প্রকল্প। এটি সফল হলে কামরাঙ্গীরচর ও সোয়ারীঘাটে আরও ৫০টি ড্রেনেজের মুখে এই প্লান্ট স্থাপন করা হবে।
করোনা ভাইরাস নিয়ে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বিআইডব্লিউটিএ এক মাস আগ থেকেই প্রতিটি লঞ্চযাত্রীদের হাতে সচেতনামূলক লিফলেট বিতরণ করেছে। সদরঘাটে একটি মেডিক্যাল ক্যাম্প খোলা হয়েছে। এখন থেকে যাত্রীদের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। করোনা ভাইরাস এমনি একটি ভাইরাস যা বিজ্ঞানীরা খন পর্যন্ত এর কোনও প্রতিশেধক আবিষ্কার করতে পারেনি। সচেতনাই এর একমাত্র প্রতিরোধের উপায়।’
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ, বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক, ঢাকা নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক আরিফ উদ্দন খানসহ অনেকে।