নাগরপুর থানার উপ-পরিদর্শক নূর মোহাম্মদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘শাহীনকে পিটিয়ে আহত করার খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার দিবাগত রাতে শাহীন খান নন্দপাড়া গ্রামের হাশেম মিয়ার বাড়িতে চুরি করতে গেলে স্থানীয়রা তাকে গণপিটুনি দেয়। শাহীনের বিরুদ্ধে এরআগেও চুরির অভিযোগ রয়েছে। ইউপি সদস্য পদে নির্বাচিত হওয়ার পর কিছুদিন ভালো ভাবে চললেও আবার তার উপদ্রব বেড়ে যায়।
হাশেম মিয়ার ছেলে ওসমান গনি অভিযোগ করে বলেন, ‘শুক্রবার রাতে বাড়ির পাশের জমিতে সেচের পানি দিয়ে বাড়িতে আসি। এরপর টর্চের আলো জ্বালালে শাহীনকে দৌঁড়ে পালাতে দেখি। এই সময় আমি ও আমার পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে স্থানীয়রা শাহীনকে ধরে গণপিটুনি দেয়। পরে গ্রামবাসীরা শাহীনকে পিটিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে পুলিশকে খবর দেয়।’
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোফায়েল হোসেন মোল্লা বলেন, ‘ঘটনাটি আমি শুনেছি। ঘটনাস্থলে স্থানীয় ইউপি সদস্য তোফাজ্জল হোসেন গিয়ে তাকে উদ্ধার করে পুলিশে সোপর্দ করে।’
উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘ঘটনাটি জানার পর স্থানীয় আওয়ামী লীগের পাঁচ সদস্যকে খোঁজ নিতে বলা হয়। এরপর তারা আমাকে জানায় শাহীনকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে। তবে শাহীন খান প্রায় ২০ বছর আগে মুরগি চুরি করতো। স্থানীয়রা তাকে ভালো হওয়ার সুযোগ দিয়ে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচিত করেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’