এই শ্রমিক লীগ নেতা জানান, সোনারগাঁয়ের বাড়ি মজলিশ এলাকায় তার একটি টিনশেড বাড়ি রয়েছে। ওই বাড়িতে ২৪টি টিনশেড রুম রয়েছে। এসব রুমে রাজমিস্ত্রি, রিকশাচালকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শ্রমজীবী মানুষ বাস করেন। এই দুর্যোগের সময় ভাড়াটিয়াদের মধ্যে অনেকেরই কাজ নেই। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে মার্চ- এপ্রিল -মে তিন মাসের ভাড়া তিনি মুওকফ করে দিয়েছেন। একইসঙ্গে ২৪টি পরিবারকে প্রতিমাসে চলার জন্য ১০ কেজি করে চাল, ডাল ও আলু ও পেঁয়াজ, তেল দিচ্ছেন। ফিরোজ বলেন, ‘আর্থিকভাবে আমি ততটা সচ্ছল নই। ব্যাংকে চাকরি করে ঢাকায় বসবাস করি এবং দুই ছেলেমেয়েকে পড়াশোনা করাচ্ছি। প্রতি মাসের বেতন থেকে যে টাকা সেভ করতে পারতাম তার সঙ্গে স্ত্রীর জমানো টাকা নিয়ে সোনারগাঁয়ে বাড়িটি নির্মাণ করেছি।’ তিনি নারায়ণগঞ্জের যেসব ধনবান ব্যক্তি আছেন তাদেরও অসহায় গরিবদের পাশে এভাবে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।