পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বন্দরের দিঘিরপাড় ৪৬১/১ উইলসন কবরস্থান রোডের বাড়িটিতে বিকট শব্দে সেপটিক ট্যাংক বিস্ফোরণ হয়। এতে নীচ তলার ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া খোরশেদ আলমের দুই ছেলে মাসনূন (১৩) ও জিসান( ৮) ঘটনাস্থলে নিহত হয়। বিস্ফোরণে পাশের বাড়ির রতন মিয়ার চার তলা ভবনের দেয়াল ধসে পড়ে একটি টিনশেড বাড়ির ওপর। টিনসেড বাড়ির দেয়াল চাপা পড়ে লাবনী আক্তার নামে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারী গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
মৃত মাসনূন ও জিসানের মা রুনা আক্তার জানান, ভোর রাতে সেহরি খেয়ে তার দুই ছেলে সেফটিক ট্যাংকের ওপরে থাকা রুমে ঘুমাতে যায়। ভোর ছয়টার দিকে হঠাৎ বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে দেখি বিস্ফোরণে ফ্ল্যাটের চারটি রুমে ভেঙে গেছে।
এদিকে বিস্ফোরণের খবর পেয়ে বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শুক্লা সরকারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। বিস্ফোরণে যে চারটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ওই ভবনে বসবাসকারী লোকজনকে অন্যত্র সরে যেতে নির্দেশ দেন।
নারায়ণগঞ্জ বন্দর ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার জিন্নাত আলী খান জানান, সকালে বিস্ফোরণের খবর পেয়ে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সেখানে গুরুতর আহত এক অন্তঃসত্ত্বাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে। ভবন নির্মাণের ত্রুটির কারণে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।