নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রোকনুজ্জামান খান বলেন, ‘ওই পরিবারের এক সদস্য ঢাকায় ইসলামী ব্যাংক হসপিটালে কাজ করতেন। তিনি নিজের নমুনা পরীক্ষা করতে দিয়ে গ্রামের বাড়িতে আসেন। তিনি ঢাকায় ফিরে জানতে পারেন তার করোনা পজিটিভ। পরে তার সংস্পর্শে আসা তার পরিবারের চার জনের করোনা টেস্টে সবারই করোনা পজিটিভ আসে। এই চার জনের মধ্যে তার ৮ মাসের শিশু সন্তান, স্ত্রী ও মা-বাবা রয়েছে। এদের মধ্যে শুধু তার মায়ের হালকা কাশি রয়েছে। এছাড়া সবাই সুস্থ। তাই তাদের বাড়িতেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’
ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাইফুর রহমান খান বলেন, ‘আক্রান্ত ওই ব্যক্তি একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে টেকল্যাব হিসেবে কাজ করেন। তিনি ঢাকায় নমুনা দিয়ে বাড়িতে এসেছেন। পরে জানতে পারেন তার করোনা পজিটিভ। তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে।’
সিভিল সার্জন ডা. মো. ওয়াহীদুজ্জামান বলেন, ‘মঙ্গলবার জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ১০৫ জনের নমুনার রিপোর্টে পাঁচ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে তাদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’