সদর ইউপি চেয়ারম্যান আজাদ খান জানান, ঘটনার দিন টিনের তাফালযোগে ভুবনেশ্বর নদ পার হয়ে নানার বাড়ি যাওয়ার পথে ঝড়ো বাতাসে তাফাল ডুবে দুই ভাইবোন নিখোঁজ হন। ওই দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে তামিমের বোন অমি আক্তারের লাশ উদ্ধার করা হয়। কিন্তু প্রশাসন ও স্থানীয়দের সহায়তায় গভীর রাত পর্যন্ত খোঁজার পরও পাওয়া যায়নি তামিমকে। আজ সকাল ১০টার দিকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
অমি আক্তার চরভদ্রাসন পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং তামিম স্থানীয় আল হেরা কিন্ডার গার্টেনের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
তারা দুই ভাইবোন সদর ইউনিয়নের আব্দুল শিকদারের ডঙ্গি গ্রামের বাসিন্দা। তাদের পিতা মো. রাসেল দুবাই প্রবাসী।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইমদাদুল হক তালুকদার জানান, দুই ভাইবোনের মৃত্যুর ঘটনা মর্মান্তিক। তাদের দাফনের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে ২০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। মর্মান্তিক এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকাবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।