বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) এর শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. ফয়সাল জানান, কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাতে ফেরি বন্ধ থাকবে, কিন্তু দিনে চলবে। তবে, নাব্য সংকটের কারণে দিনের বেলাতেও রো রো ফেরি চালানো যাচ্ছে না। শুধু কে-টাইপ চারটি ফেরি- ক্যামেলিয়া, ফরিদপুর, কলমিলতা ও কাকলী চলছে। চ্যানেলে নাব্য ফেরানোর লক্ষ্যে ড্রেজিং করা হচ্ছে। তবে, কবে নাগাদ ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হবে তা বলা যাচ্ছে না।
মাওয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সিরাজুল কবীর জানান, লঞ্চ ও স্পিডবোট চলছে। ঘাটে যাত্রীর চাপ তেমন নেই।
শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (মেরিন) আহম্মেদ আলী জানান, নাব্য সংকটে পদ্মার চ্যানেলে ফেরি চলতে পারছে না। এ কারণে আমরা এই রুটে যান চলাচলের জন্য অনুৎসাহিত করেছি।
বিআইডব্লউটিএ-এর শিমুলিয়ার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ড্রেজিং) মো. সাইদুর রহমান জানান, আটটি ড্রেজিং দিয়ে চ্যানেলের বিভিন্ন অংশে ড্রেজিং চালু আছে। তবে, চ্যানেল কবে সব ফেরি চলাচলের উপযোগী হবে তা বলা যাচ্ছে না। তিন-চার দিন লাগতে পারে।
এদিকে, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের শ্রীনগর অংশে কাজ চলছে। তাই, সড়কের একপাশ বন্ধ রেখে অন্যপাশ দিয়ে উভয়মুখী যান চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
হাঁসাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বাসেদ জানান, একপাশ দিয়ে যান চলাচলের কারণে কিছুটা ধীরে যানবাহন চলছে। কিন্তু, কোনও যানজট নেই।
মুন্সীগঞ্জ সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) নাজমুর রায়হান জানান, শিমুলিয়া ঘাটে আড়াইশ’ থেকে তিনশ’ যান আছে। তবে, ফেরি চলাচল ব্যাহত হওয়ায় যান পারাপার স্বভাবিক করা যাচ্ছে না। আবার, যে চারটি ফেরি চলছে, সেখানে মানুষের চাপ বেশি। তাই ফেরিগুলোতে সক্ষমতার তুলনায় যান লোড করা যাচ্ছে না।’