সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুজ্জামান এ ঘটনাকে খুন বলে নিশ্চিত করেছেন। এখনও খুনের সঙ্গে জড়িত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।
সোমবার (৩১ আগস্ট) ভোরে নিহতের লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (৩০ আগস্ট) রাতে ছোট মেয়ে প্রীতি ও স্বামীকে নিয়ে ইতি রংদার নিজ বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। সোমবার (৩১ আগস্ট) ভোরে স্থানীয় লোকজন পার্শ্ববর্তী জ্যোতি রায়ের বাড়ির সামনের রাস্তার ওপর ইতির রক্তাক্ত লাশ দেখতে পেয়ে পরিবারকে জানান। পরে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে সিংগাইর থানা পুলিশ।
নিহতের মেজ মেয়ে কলেজ ছাত্রী মুক্তি রংদার বলেন, ওই রাতে আমি পাশে চাচার বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলাম। সকালে মায়ের মৃত্যুর খবর পাই।
নিহতের স্বামী সুনীল রংদার বলেন, তার স্ত্রীর ডায়াবেটিস রোগ থাকায় প্রতিদিন সকালে হাঁটতে বের হয়। আজ সকালে প্রতিবেশীদের ডাকে ঘুম থেকে ওঠে রাস্তার ওপর স্ত্রীর রক্তাক্ত লাশ দেখতে পাই। নিহতের সুরতহালকারী পুলিশের এস আই মো. ফারুক হোসেন বলেন, লাশের ঘাড়ে ও চোয়ালে দুটি গভীর কোপের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে এখনও ওই নারীর মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন হয়নি।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছে। স্বামী ও সন্তানদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীমসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।