সরেজমিন বানিয়াজুরী-বাঠুইমুড়ি বেড়িবাঁধ ঘুরে দেখা গেলো, মানুষের দুর্ভোগের চিত্র। ৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের এই পথে নেই কোনও পাকা সেতু। বেড়িবাঁধের তাড়াইল, নয়াচর ও বানিয়াজুরী অংশে তিনটি জায়গায় পানি প্রবাহের জন্য পথ রাখা হলেও ৪৫ বছরেও সেখানে কোনও সেতু নির্মাণ করা হয়নি। ফলে বর্ষা মৌসুমে বাঁশের সেতু, না হয় নৌকায় পার হয়ে মানুষজন গন্তব্যে পৌঁছান।
তাড়াইল এলাকার বাঁধের ওপরে প্রায় ১৫-১৬ বছর ধরে ছোট্ট একটি ছাপড়া ঘরে চায়ের দোকান করছেন ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ রাজু খান। তিনি বলেন, একসময় হরিরামপুর উপজেলার ঐহিত্যবাহী ঝিটকা হাটে যাতায়াতের অন্যতম রাস্তা ছিল বানিয়াজুরী-বাঠুইমুড়ি বেড়িবাঁধটি। বিশেষ করে ঘিওর, দৌলতপুর, শিবালয় এমনকি অন্যসব জেলার হাজার হাজার মানুষজন এই বেড়িবাঁধের রাস্তা ব্যবহার করে ঝিটকা হাটে বিকিকিনির জন্য আসা যাতায়াত করতো।
কিন্তু বেড়িবাঁধের যোগাযোগ ব্যবস্থা এতোই নাজুক হয়ে পড়েছে যার ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই অচল হয়ে পড়ে মানুষের যাতায়াত। আর বর্ষার সময় বাঁধের তাড়াইল, নয়াচর ও বানিয়াজুরী অংশের পানি প্রবাহের তিনটি জায়গা পানিতে ভরপুর থাকায় প্রায় ৬ মাস মানুষের দুর্ভোগের সীমা থাকে না। তিনটি ব্রিজ নির্মাণ করা হলে হাজার হাজার মানুষের দুর্ভোগ থাকবে না।
ঘিওর উপজেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সাজ্জাকুর রহমান বলেন, বানিয়াজুরী-বাঠুইমুড়ি বেড়িবাঁধ রাস্তায় তিনটি সেতুর অনুমোদন আমরা পাওয়া গেছে। সয়েল টেস্ট করার পর ডিজাইন ও সেতু নির্মাণের বাজেট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।