আগামী ২৩ মে থেকে মানিকগঞ্জ জেলায় সাড়ে ১১ হাজার কুকুরের টিকাদান কার্যক্রম চালানো হবে। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে এসব কুকুরকে। বাংলাদেশ থেকে জলাতঙ্ক রোগ নির্মূলের লক্ষ্যে স্বাস্থ্য অধিদফতর এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
জেলায় ব্যাপক হারে কুকুরের টিকাদান (এমডিভি) কার্যক্রম উপলক্ষে বৃহস্পতিবার অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সদর উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ এই সভার আয়োজন করে। সভায় সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের (ফাইলেরিয়া নির্মূল) উপপরিচালক ডা. জহিরুল কবির, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাহবুবুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন, জেলা টিকাদান কর্মসূচির তত্ত্বাবধায়ক মো. আকতারুজ্জামান, স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার তত্ত্বাবধায়ক কে এম তাহমিদ উল ইসলাম, মো. আসাদুজ্জামান সুমন, সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবদুর রাজ্জাক প্রমুখ।
এই সভায় বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, স্বাস্থ্য পরিদর্শক, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক, স্বাস্থ্যকর্মী ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ অংশ নেন।
এসময় জানানো হয়, ২০১০ সালে পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রথম কুকুরের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ২০১২ সালে দেশের সব জেলায় ব্যাপকহারে কুকুরের টিকা দেওয়া শুরু হয়। ২০১৮ সালে মানিকগঞ্জে প্রথম ডোজ হিসেবে প্রায় ৯ হাজার কুকুরের মধ্যে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কুকুরকে টিকা দেওয়া হয়েছিল। দ্বিতীয় ডোজ হিসেবে আগামী ২৩ মে থেকে মানিকগঞ্জের পৌর এলাকাসহ ১০টি ইউনিয়নে একযোগে টিকা কার্যক্রম শুরু হবে। পাঁচ দিনে ৩০টি টিম এই কার্যক্রম চালাবে। ১০টি ইউনিয়নে ২০টি টিম ও পৌর এলাকায় ১০টি টিম কাজ করবে। প্রতি টিমে দুইজন ডগ ক্যাচার, একজন টিকাদানকারী, একজন সহযোগী টিকাদানকারী ও একজন সার্ভেয়ার নিযুক্ত থাকবেন।