রূপগঞ্জে নৌকার নির্বাচনি ক্যাম্পে ভাঙচুরের অভিযোগ

রূপগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগের নির্বাচনি কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১ নভেম্বর) কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে বরুনা এলাকায় প্রচারণা ক্যাম্পে এ হামলার ঘটনা ঘটে। বিদ্রোহী প্রার্থী মিজানুর রহমানের ৩০-৩৫ জন সমর্থক এ ঘটনায় জড়িত বলে অভিযোগ করেন নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. জাহেদ আলী।  

তিনি বলেন, প্রচারণা ক্যাম্পে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুর ও পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হয়। এ সময় হামলাকারীরা কুপিয়ে চেয়ার, টেবিল, নৌকার প্রতীক ভেঙে ফেলে। পরে নৌকার সমর্থকরা জোটবদ্ধ হয়ে ধাওয়া দিলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিএনপি-জামায়াতের কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থিত সন্ত্রাসীরা নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গ করে অনিয়ম চালাচ্ছে। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন অজ্ঞাত কারণে নীরব ভূমিকা পালন করছে।

কায়েতপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা শ্রী রবি রায় বলেন, কালোটাকা, বহিরাগত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের কারণে কায়েত পাড়া ইউনিয়নের ভোটাররা ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় রয়েছে।

তবে বিদ্রোহী প্রার্থী মিজানুর রহমান বলেন, নির্বাচনি আচরণবিধি মেনেই গণসংযোগ চলছে। নৌকা প্রতীকের নির্বাচনি ক্যাম্প ভাঙচুরের ঘটনায় আমাদের কেউ জড়িত নয়। তারা নিজেরাই ক্যাম্পে ভাঙচুর চালিয়ে দায় চাপানোর চেষ্টা করছে। 

রূপগঞ্জ থানার ওসি এএফএম সায়েদ বলেন, বরুনা এলাকায় নৌকা প্রতীকের নির্বাচনি ক্যাম্পে ভাঙচুরের একটি ছবি পেয়েছি। তবে কেউ কোনও লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।