ব্যবসায়িক গুরুত্বের পাশাপাশি বিভিন্ন কারণে উঠে এসেছে কিশোরগঞ্জের নীলগঞ্জের নাম। উপমহাদেশের প্রথম মহিলা কবি চন্দ্রাবতীর বাড়ি থাকার সুবাদে, এখানে এসেছেন দেশ-বিদেশের বহু গুণীজন।
জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদও আশির দশকে তার একটি নাটক ‘এইসব দিনরাত্রি’তে চরিত্রের নাম রেখেছিলেন ‘সুখী নীলগঞ্জ মামা’। আর স্টেশনটিতেও তিনি শুটিং করেছেন। লেখকের বিভিন্ন বইয়েও এই স্টেশনটির নাম এসেছে একাধিকবার। বিভিন্ন কারণে গুরুত্বপূর্ণ নীলগঞ্জের এ রেল স্টেশনটি বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক ছিল। তবে ২০১১ সালের ৪ জুলাই লোকবল প্রত্যাহার করে হঠাৎ স্টেশনটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে বিপাকে পড়েছেন নীলগঞ্জসহ আশপাশের সাধারণ মানুষ। স্টেশন থেকে যাত্রীসেবা থেকে শুরু করে পণ্য পরিবহন কিছুই আর হচ্ছে না। অচল অবস্থায় পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে, স্টেশনের অনেক মূল্যবান ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, রেলস্টেশনটিকে ঘিরে আশপাশে প্রচুর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছিল। এক সময় এখানকার ব্যবসায়ীদের ভালো অবস্থা ছিল। কিন্তু প্রায় একযুগ ধরে স্টেশনটি বন্ধ থাকায়, যাত্রীদের আসা যাওয়াও নেই। ব্যবসাতেও টানাপোড়েন চলছে। স্টেশনটি সংস্কার করে নতুন করে চালুর দাবি জানান তারা।