নারায়ণগঞ্জে বিএনপি ও পুলিশের সংঘর্ষের মধ্যে গুলিতে নিহত শাওন প্রধানের (২৩) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টায় সদর উপজেলার ফতুল্লা নবীনগর এলাকার শাহওয়ার আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে নবীনগর কবরস্থানে দাফন করা হয়।
শাওন প্রধান নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়নে পূর্ব গোপালনগর এলাকার মৃত সাহেব আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি ওয়ার্কশপে কাজ করতেন।
শাওনের চাচা বক্তাবলী ইউনিউনের চেয়ারম্যান ও ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী বলেন, ‘ময়নাতদন্ত শেষে রাতে হাসপাতাল থেকে লাশ নিয়ে আসার সময় পুলিশের টহল টিম ছিল। পরে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। এরপর জানাজা শেষে রাত দেড়টায় নবীনগর কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।’
আরও পড়ুন: সংঘর্ষে নিহত যুবক রাজনীতি করতেন না, দাবি পরিবারের
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিজাউল হক জানান, রাত ১২টার দিকে নিহত শাওনের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হাসপাতাল থেকে বাড়ি পর্যন্ত লাশ এগিয়ে দিয়েছে পুলিশ। তবে দাফনের সময় পুলিশি প্রহরা ছিল না।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নারায়ণগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে শাওন মারা যান। এছাড়া বিএনপির প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মী ও পুলিশের ১৫ জন আহত হন। তবে নিহত শাওনের রাজনীতিক পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। শাওন কোনও রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না বলে দাবি করেছেন স্বজনরা। তবে বিএনপি দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি, তিনি যুবদলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন।