টাঙ্গাইলের মধুপুরে মাসুদ আহমেদ (৩৬) নামের এক ভুয়া চিকিৎসককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার শাহজালাল ফার্মেসি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে তাকে জরিমানা করা হয়।
কথিত চিকিৎসক মাসুদ আহমেদ ১০০ শয্যা বিশিষ্ট মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গেটের সামনে অবস্থিত শাহজালাল ফার্মেসিতে বসতেন। তিনি বরিশালের মুলাদি উপজেলার বানীমর্দান গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে। চিকিৎসাপত্রের প্যাডে নিজেকে মেডিসিন ও শিশু বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচয় দিতেন। ডিগ্রি লিখেছেন এমবিবিএস ঢাকা, পিজিটি শিশু, সিসিডি বারডেম, এফসিপিএস মেডিসিন। দীর্ঘদিন ধরে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিলেন এই ভুয়া চিকিৎসক।
জানা গেছে, স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে উপজেলার শাহজালাল ফার্মেসি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালান। এ সময় কথিত চিকিৎসক মাসুদ আহমেদ তার ডাক্তারি পড়াশোনার কোনও সনদপত্র দেখাতে পারেননি। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক লাখ টাকা ও ফার্মেসির মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান জানান, মাসুদ আহমেদ লিখেছেন তিনি ঢাকা মেডিক্যাল থেকে এমবিবিএস ও এফসিপিএস ডিগ্রি নিয়েছেন। কিন্তু আসলে তিনি কোনও মেডিক্যালে পড়াশোনা করেননি।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে কথিত চিকিৎসক মাসুদকে এবং শাহজালাল ডায়াগনস্টিকের মালিককে জরিমানা করা হয়েছে।