ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে কিশোরীকে হত্যা, দম্পতির যাবজ্জীবন

নারায়ণগঞ্জে কিশোরী (১৬) হত্যা মামলায় এক দম্পতিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

একই মামলায় মানবপাচার আইনে তাদের পাঁচ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামল এ রায় ঘোষণা করেন। নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—পটুয়াখালীর কলাপাড়া থানার পাঁচদনীয়া গাজী বাড়ির আব্দুল মজিদের ছেলে স্বপন গাজী (৩৬) ও তার স্ত্রী আঁখি আক্তার তমা (৩০)। তারা ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুর এলাকায় পাইলট স্কুল সংলগ্ন রাসেল মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক।

কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, ২০১৩ সালের ১০ নভেম্বর বাড়িওয়ালা রাসেল ও তার স্ত্রী সাবিনা কান্নাকাটির শব্দ শুনে ভাড়াটিয়া স্বপন গাজীর কক্ষে যান। সেখানে গিয়ে স্বপন ও তার স্ত্রীকে কান্নাকাটি করতে দেখেন। এ সময় তাদের কথাবার্তায় সন্দেহ হলে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে তাদের কাছ থেকে জানতে পারেন, ভায়রার মেয়ে পরিচয় দেওয়া এক কিশোরীকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন স্বপন। হত্যায় সহযোগিতা করেন তার স্ত্রী আঁখি। এ ঘটনায় বাড়িওয়ালা রাসেল বাদী হয়ে মামলা করেন। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আজ রায় ঘোষণা করেছেন।