মুন্সীগঞ্জে পুলিশের ৩০ চেকপোস্ট, চালাচ্ছে তল্লাশি

মুন্সীগঞ্জের বঙ্গবন্ধু এক্সপ্রেসওয়ের (ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক), ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও শ্রীনগর-দোহার সড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে গণপরিবহনে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। ওই দুই গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কসহ জেলার বিভিন্ন সড়কে অন্তত ৩০টি পয়েন্টে পুলিশের চেক বসানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) বিকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলার লৌহজং উপজেলার ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের পদ্মা সেতুর উত্তর প্রান্তের টোল প্লাজার সামনে ও মাওয়া চৌরাস্তায় বিকাল থেকে বাস, মাইক্রোবাস, সিএনজি ও প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ। এ সময় পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়েছেন যাত্রীরা।

গণপরিবহনে তল্লাশি

এদিকে, জেলার শ্রীনগর উপজেলার ঢাকা-দোহার সড়কের শ্রীনগর বাইপাস সড়ক, ছনবাড়ি ও বেঁজগাঁও পয়েন্টে পুলিশ চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি করতে দেখা গেছে। চেকপোস্ট বসানো হয়েছে সিরাজদিখান উপজেলার কুচিয়ামোড়া এলাকায় ধলেশ্বরী সেতুর ঢাকামুখী অংশে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নজরদারি বাড়িয়েছে পুলিশ। মহাসড়কটির গজারিয়া অংশের ছয়টি স্পটে পুলিশ সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে।

থানা সূত্রে জানা গেছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গজারিয়া উপজেলার জামালদী, ভাটেরচর, আনারপুরা, ভবেররচর, দড়ি বাউশিয়া, মধ্যম বাউশিয়া, বাউশিয়া পাখির মোড় এলাকায় মোট ছয়টি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। এ ছাড়াও তিনটি মোবাইল টিম, দুটি অভিযানিক টিম, দুটি স্ট্রাইকিং ফোর্স ও দুই নৌ পুলিশ টিম সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে।

munsigan4

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়া অংশের বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে। তবে এ সময় কোনও গাড়িতে তল্লাশি চালাতে দেখা যায়নি।

মুন্সীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খায়রুল হাসান বলেন, নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এরকম আশঙ্কায় গজারিয়া উপজেলায় অতিরিক্ত ১০০ জন পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে নয়, নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই এই ব্যবস্থা। যেকোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে।

munsiganj3

এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) ইয়াসিনা ফেরদৌস জানান, জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( প্রশাসন ও অর্থ) সুমন দেব জানান, দুই মহাসড়ক ও অভ্যন্তরীণ সড়ক, লঞ্চঘাটসহ জেলার ৩০টি পয়েন্টে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। তবে চেকপোস্টগুলোতে এখনও কাউকে আটক করা হয়নি। তল্লাশি শেষে যাত্রীরা নির্বিঘ্নে চলে যেতে পারছেন।