আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহম্মেদ সুমন ভুইয়া (১০ ডিসেম্বর)নিয়ম অনুযায়ী দফতর সম্পাদকের কাছে অব্যাহতি পত্র জমা দেন। অথচ এর দুই দিন পর মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকালে ফেসবুকে থানা আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক এনামুল হকের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বহিষ্কারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে নিজ বাসায় শামীম আহম্মেদ সুমন ভুইয়া অব্যাহতির বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। এর তিন ঘণ্টা পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বহিষ্কারের চিঠিটি প্রকাশ হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সুমন আহম্মেদ ভুইয়া বলেন,জীবনের ৪০ বছরের বয়সে বেশির ভাগ সময় কেটেছে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে। ২০০১-২০০৯ পর্যন্ত ছাত্রলীগের ইউনিয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। ২০১১ -২০০৮ পর্যন্ত যুবলীগের আশুলিয়া থানা কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক পদে দায়িত্ব পালন করেছি।
বর্তমানে আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের পদে দায়িত্বে। দলের দুঃসময়ে একাধিক মামলায় জেলে খেটেছেন দীর্ঘদিন।
এক মাস আগে তার বাবার মৃত্যুতে এই ইউনিয়নের আসনটি শুন্য হয়। দল থেকে তিনি এই নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন চেয়েছেলিন। তবে তাকে মনোনয়ন না দিয়ে অন্য একজনকে নৌকা প্রতীক দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, মনোনয়ন না পেলেও ইয়ারপুর ইউনিয়নের জনগণ তাকে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য বাধ্য করেছেন। তবে তিনি নৌকার বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করতে চান না। সে কারণে দল থেকে পদত্যাগ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে আনারস প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেবেন।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক এনামুল হক বলেন, সুমন ভুইয়ার অব্যাহতি পত্রের চিঠি পেয়েছেন তিনি। তবে দলীয় সিদ্ধান্তে তাকে বহিষ্কারের চিঠি ইস্যু করা হয়েছে।
ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান বলেন, দলের বাইরে কেউ বিদ্রোহী হয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে সুমন ভুইয়া দুই দিন আগে অব্যাহতি পত্র দিয়েছেন কি না জানা নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে জানতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।