ব্যাংক ডাকাতির সময় বন্ধুকযুদ্ধে নিহত ১

 

সাভার
শুক্রবার ভোরে ব্যাংকের ছাদ কেটে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টার সময় র‌্যাবের সঙ্গে বন্ধুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন মাসুক নামের ডাকাতদলের এক সদস্য। ধামরাইয়ের বাজার এলাকার হাজী রিয়াজ উদ্দিনের মালিকানাধীন ভবনের ২য় তলায় অবস্থিত সোনালী ব্যাংকের শাখায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন, ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামসহ ডাকাতদলের পাঁচ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব। 

নিহত ডাকাত সদস্যসের নাম মাসুক (৪১)। সে হাজী ওসমান গণি রোড গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে। আটককৃত অন্যরা হলেন- সবুজ (৬২), শিলা (১৮), রুমানা (২৫) রিয়াজ উদ্দিন (৪৮) ও শিশু শাকিল (১০)।

এরা সবাই ৩ মাস আগে ব্যাংকটির ওপরের ফ্লোর ৩য় তলায় নিজেদের পোশাক কারখানার চাকরিজীবী পরিচয় দিয়ে বাসা ভাড়া নেন।

র‌্যাব-৪ সূত্রে জানা গেছে, গত তিন মাসে মাসুক নামের এই ব্যক্তি সপরিবারে ব্যাংক ডাকাতির উদ্দেশ্যে ওই বাড়ির তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেন। যার নিচতলায় সোনালী ব্যাংকের ওই শাখা। এ ঘটনার আগে বৃহস্পতিবার রাতে তৃতীয় তলায় নিজেদের কক্ষের ফ্লোর কেটে ব্যাংকে প্রবেশের চেষ্টা করে। কিন্তু একটি চক্র সেখানে অবস্থান নিচ্ছে এমন খবরে অভিযান চালায় র‌্যাব। পরে পুরো বাড়ি ঘিরে ফেললে পালানোর সময় র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে মাসুক নামের ওই ডাকাত। এসময় র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছুড়লে ঘটনাস্থলেই মাসুক নিহত হন। পরে তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এসময় মাসুকের পরিবার পরিচয় দেওয়া দুই নারী ও এক শিশুসহ পাঁচজনকে আটক করে র‌্যাব।

র‌্যাব-৪ এর মেজর মাসুদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটক ডাকাতদের সকাল সাড়ে ৯টায় ধামরাই পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। একইসঙ্গে র‌্যাব বাদী হয়ে ডাকাতির ঘটনায় একটি মামলা দায়েরেরও প্রস্ততি চলছে বলে জানান। খবর পেয়ে সকাল ৮টার দিকে র‌্যাব ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এসময় র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক খন্দকার লুৎফর কবির জানান, দেশে সংঘটিত অন্যান্য ডাকাতির ঘটনার সঙ্গে নিহত ওই ডাকাত জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং সম্প্রতি গাজীপুরে শাহজালাল ব্যাংকে ডাকাতির ঘটনায় নিহত মাসুক জড়িত ছিল বলেও জানান তিনি।

/এএইচ/