সাভারে পৃথক ঘটনায় বিএনপির অন্তত দুই শতাধিক নেতাকর্মীর নামে তিনটি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে সাভার মডেল থানায় একটি ও আশুলিয়া থানায় পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে।
সাভার মডেল থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা ও আশুলিয়া থানার ওসি এসএম কামরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সাভার মডেল থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, আমিনবাজার এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ও উদ্ধারের ঘটনায় বিএনপি নেতা ও ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি কফিল উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে মামলা করা হয়েছে। আমিনবাজার পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক হারুন অর রশিদ বাদী হয়ে বিএনপির সাবেক সংস সদস্য ডা. সালাউদ্দিন বাবু, বিএনপি নেতা খোরশেদ আলমসহ ৪৩ জনকে আসামি করে মামলাটি করেন।
অন্যদিকে আশুলিয়া থানার ওসি এসএম কামরুজ্জামান বলেন, নবীনগরের নিরিবিলি এলাকায় বাস ভাংচুর ও বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বিএনপির ২৫/৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
অপরদিকে আশুলিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক আরাফাত বলেন, শনিবার বিকালে আশুলিয়ার রসায়ন মোড় এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে একটা অটোরিকশা পুড়িয়ে দেন। ওই ঘটনায় আশুলিয়া থানায় বিএনপির ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১৫০ জনের নামে মামলা হয়েছে।
মামলায় আসামি করা নিয়ে ঢাকা জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মো. খোরশেদ বলেন, ‘ওখানে আমরা কেউ ছিলাম না। একটা ভিডিওতে দেখলাম ওখানে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের হাজারখানেক নেতাকর্মী ছিলেন। ওই মূহুর্তে ককটেল ফাটছে ফাটছে বলছে। আসলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ওখানে ককটেল ফাটিয়েছেন। পুলিশ তাদের ধরলো না, উল্টো আমাদের নামে মিথ্যা মামলা করলো। মামলাটি গায়েবি। এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।’