গাজীপুর-৩ (শ্রীপুর-পিরুজালী-ভাওয়ালগড়-মির্জাপুর) আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন সবুজ দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন পাননি। এই আসনে এবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন (নৌকা) পেয়েছেন পাঁচবারের সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত অ্যাডভোকেট রহমত আলীর মেয়ে অধ্যাপক রুমানা আলী টুসি।
তবে দলের মনোনয়ন না পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন সবুজ।
এই এমপির হলফনামা থেকে জানা গেছে, গত পাঁচ বছরে তার অস্থায়ী সম্পদ বেড়েছে ৩.৪ গুণ। খামারে বিনিয়োগ করেছেন সাত লাখ ৪০ হাজার টাকা। তার ঋণ রয়েছে ৫০ লাখ টাকা।
২০২৩ সালের তথ্য অনুযায়ী, এমপি ইকবাল হোসেনের অস্থায়ী সম্পদের মধ্যে রয়েছে নগদ পাঁচ লাখ, ব্যাংকে জমা ৪৭ লাখ ৬১ হাজার ও ৮৩ লাখ ৭১ হাজার টাকার শুল্কমুক্ত কোটার একটি গাড়ি।
২০১৮ সালে ইকবাল হোসেন সবুজের স্ত্রী নিগার সুলতানা ঝুমা ছিলেন গৃহিণী। নগদ কোনও টাকা ছিল না তার কাছে। ব্যাংকে ছিল পাঁচ লাখ ২৬ হাজার এবং পাঁচ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র ও স্বর্ণ ছিল এক হাজার ১৬৬ গ্রাম এবং বর্তমানে তিনি ব্যবসায়ী।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পাঁচ বছরের ব্যবধানে এই এমপির স্ত্রীর বহুগুণ বেড়ে যাওয়া সম্পদ বেড়েছে। তার আয় ১১ লাখ ৫০ হাজার এবং ব্যাংক সুদ পেয়েছেন ৪৫ হাজার। হাতে নগদ টাকা আছে ৫০ লাখ ২০ হাজার, ব্যাংকে জমা ১০ লাখ ৮১ হাজার, স্বর্ণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩২০ গ্রাম।
এদিকে, ২০১৮ সালে ইকবাল হোসেনের বার্ষিক আয় ছিল পাঁচ লাখ আট হাজার টাকা। পাঁচ বছরের ব্যবধানে আয় বেড়ে হয়েছে প্রায় আট গুণ। ২০২৩ সালে তার আয় দাঁড়িয়েছে ৪০ লাখ ১৩ হাজার।
গত পাঁচ বছরে মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন সবুজের অস্থাবর সম্পদ বেড়েছে ৩.৪ গুণ। আয়ের খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে কৃষি খাতে ১১ লাখ ৫০ হাজার, শেয়ার সঞ্চয়, ব্যাংক সুদ থেকে এক লাখ ১৮ হাজার এবং সংসদ সদস্যের ভাতা ২৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে কৃষি খাতে এক লাখ ৫২ হাজার ও ব্যবসা থেকে দুই লাখ ৭৯ হাজার এবং গৃহস্থালি থেকে আয় ছিল ৭৬ হাজার টাকা।