ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহনের ধীরগতি, ৯ কিলোমিটার যানজট

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশে প্রায় ৯ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানবাহনের ধীরগতিতে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। বুধবার (২১ আগস্ট) সকালে মহাসড়কের সাইনবোর্ড থেকে মদনপুর অংশ ছাড়িয়ে গেছে যানজট। চট্টগ্রামমুখী একটি লেনে এই যানজট সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোর থেকে মুষলধারে বৃষ্টির কারণে মহাসড়কে গাড়ির দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া গতকাল দিবাগত রাতে সোনারগাঁওয়ের লাঙলবন্ধ অংশে একটি কাভার্ডভ্যান উল্টে যাওয়ায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। যদিও সকালে কাভার্ডভ্যানটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তবুও যানজট রয়েছে। তা ছাড়া মহাসড়ক দ্রুতগতিতে যানবাহন চলাচলের স্থান। সেখানে গাড়ির ধীরগতি থাকলে এমনিতে যানজটের সৃষ্টি হয়।

কুমিল্লাগামী তিশা পরিবহনের বাসচালক রফিক মিয়া দীর্ঘ সময় ধরে যানজটের মধ্যে গাড়ি নিয়ে বসে আছেন। তিনি বলেন, ‘সকাল থেকে যানজটে বসে আছি। স্বাভাবিকভাবে এই মহাসড়কে এত যানজটের সৃষ্টি হতো না। শুনেছি, ভোরে উল্টে যাওয়া একটি কাভার্ডভ্যান মহাসড়ক থেকে সরানো হয়েছে। যানজটের জন্য এটা একটা কারণ হতে পারে।’

চাকরিজীবী আবির হোসেন বলেন, ‘শিমরাইল মোড়ে দীর্ঘ সময় যানজটে আটকে ছিলাম। পরে পায়ে হেঁটে সামনে এসে অটোরিকশাযোগে ভেঙে ভেঙে কর্মস্থলে আসতে হয়েছে।’

মেঘনা টোল প্লাজার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন গৃহিণী রেহেনা বেগম। তিনি বলেন, ‘একটা জরুরি কাজে আত্মীয়ের বাসায় যাচ্ছিলাম। কিন্তু তীব্র যানজটের কারণে গাড়ি এগোচ্ছে না বললেই চলে।’

এ বিষয়ে কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মহাসড়কে গাড়ির ধীরগতি রয়েছে। মূলত এটা দ্রুত যানবাহন চলাচলের পথ, সেখানে ধীরগতি হলে জটলা তৈরি হবে। আর গতকাল দিবাগত রাতে কাভার্ডভ্যান উল্টে গিয়েছিল সেটাও অপসারণ করা হয়েছে। সুতরাং বৃষ্টি কমে আসলে আশা করছি যানজটও কমে যাবে।’