গোপালগঞ্জে চেয়ারম্যানসহ আ.লীগ-ছাত্রলীগের ৫ নেতা গ্রেফতার

স্বেচ্ছাসেবক দলের ক্রীড়া সম্পাদক শওকত আলী দিদার হত্যা মামলায় গোপালগঞ্জ সদরের চন্দ্রদিঘলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাবেদ মোল্লাসহ পাঁচ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে নিজ নিজ এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

তারা হলেন- চন্দ্রদিঘলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাবেদ মোল্লা, পাটগাতী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মো. রেজাউল করিম, গোবরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. এসএম আল আমিন ও তার ভাই সাদ্দাম শেখ এবং বিল্লাল শেখ। রবিবার (১০ নভেম্বর) বিকালে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মো. সাজেদুর রহমান বলেন, ‘দিদার হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামিদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে শনিবার রাতে অভিযান চালানো হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রবিবার আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে তাদের।’

গত ১৭ সেপ্টেম্বর দিদারের স্ত্রী রাবেয়া রহমান বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। এতে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নাজমা আক্তারসহ ১১৭ জনকে আসামি করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাত আসামি করা হয় আরও ১ হাজার ৫০০ জনকে। 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ১৩ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী স্ত্রী-সন্তান ও দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে টুঙ্গিপাড়ার পাটগাতী গ্রামের নিজ বাড়িতে যাচ্ছিলেন। ওই দিন বিকালে তাদের গাড়িবহরটি ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ঘোনাপাড়া এলাকায় পৌঁছায়। তখন আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা গাড়িবহরে হামলা চালান। একপর্যায়ে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শওকত আলীকে পিটিয়ে হত্যা করে মহাসড়কের পাশে ফেলে রাখা হয়।