নিখোঁজের দুই দিন পর ভাড়াটিয়ার ট্রাংকে মিললো স্কুলছাত্রের মরদেহ

গোপালগঞ্জে নিখোঁজের দুই দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত স্কুলছাত্র মুহিন মোল্লাকে হত্যা করে ট্রাংকে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

মুহিন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদীঘলীয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মাঞ্জুরুল ইসলাম মোল্লার ছেলে। সে স্থানীয় রাবেয়া আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে মাঞ্জুরুল ইসলাম মোল্লার ভাড়াটিয়া ঝালমুড়ি বিক্রেতা মো. আমিনের ঘর থেকে একটি ট্রাংকের ভেতর লুকিয়ে রাখা মুহিনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ভাড়াটিয়া ঝালমুড়ি বিক্রেতা আমিনসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান জানান, শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাড়ির পাশের দোকানে জুস কিনতে যায় মুহিন। বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ভাড়াটিয়া আমিন, ওই গ্রামের শাওন ও সিহাবকে আটক করে। আটকদের দেওয়া তথ্যে সোমবার ভোররাতে আমিনের ঘর থেকে বস্তায় বেঁধে ট্রাংকে আটকে রাখা মুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় শাহানারা বেগম নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের ধারণা, শ্বাসরোধ করে হত্যার পর মরদেহ ট্রাংকে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। তবে কেন হত্যা করা হয়েছে তা বলতে পারেনি পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ওসি। মর্গের কাজ শেষ হওয়ার পরে তার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান ওসি।