দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ‘সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে’ জড়িত থাকার অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির ২০ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিএনপির কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বহিষ্কৃতরা হলেন- সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি মাজেদুল ইসলাম, সহসভাপতি জি এম সাদরিল, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক কামরুজ্জামান শরিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আকবর, থানা বিএনপির সদস্য শামিম আহম্মেদ ঢালি, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুন্সি আলী আইয়ুব, ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুদ করিম, ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া, ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ আলী, ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মাসুদুজ্জামান মন্টু, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জিল্লুর রহমান, ১০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জামাল প্রধান, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জামান মির্জা, সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি বজলুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন ও জিয়াউল ইসলাম চয়ন, সদস্য খন্দকার আবু জাফর, সোনারগাঁ পৌর বিএনপির সহসভাপতি পনির হোসেন এবং সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির রফিক।
বিষয়টি বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, ‘দলীয় শৃঙ্খলা অমান্য করায় তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে।’
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বহিষ্কৃত নেতাকর্মীরা নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের পরিবর্তে একই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির সদ্য বহিষ্কৃত নেতা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ও রেজাউল করিমের হয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন।
এর মধ্যে বহিষ্কৃত সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সহসভাপতি জি এম সাদরিল নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী গিয়াস উদ্দিনের ছেলে। সম্প্রতি অস্ত্র মজুত নিয়ে আলোচনার একটি ভিডিও ভাইরাল হলে সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি বজলুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়।