স্কুল ভাংচুরের মামলায় পৌর কাউন্সিলর গ্রেফতার : পুলিশের গাড়ি ভাংচুর

গোপালগঞ্জ

টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নুরুল ইসলামকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা -ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসময় এলাকাবাসী পুলিশের গাড়িতে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে কাঁচ ভাংচুর করে। সোমবার সকালে তার মুক্তির দাবিতে এলাকাবাসী  বিক্ষোভ মিছিল করে। খান সাহেব শেখ মোশাররফ হোসেন স্কুল অ্যান্ড কলেজে হামলা ও ভাংচুরের মামলায় রবিবার রাতে কাউন্সিলর ও পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি নরুল ইসলামকে গ্রেফতার করে পুলিশ।  

সোমবার সকালে এলাকাবাসী মিছিল নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বাসার সামনে অবস্থান নেয়। সেখানে তারা কাউন্সিলরের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানায়। এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সফি উল্লাহ তাদের বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দেন। পরে সেখানে পুলিশ আসলে এলাকাবাসী উত্তেজিত হয়ে পুলিশকে ধাওয়া দেয়। এতে পুলিশের সঙ্গে এলাকাবাসীর ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতার পুলিশের গাড়িতে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে কাঁচ ভাংচুর করে।

গত শনিবার সকালে লোকজন নিয়ে খান সাহেব শেখ মোশাররফ হোসেন স্কুল অ্যান্ড কলেজে হামলা করে কাউন্সিলর নরুল ইসলাম। এই ঘটনায় ওই কাউন্সিলরকে প্রধান আসামি করে ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আকরামুজ্জামান। তিনি টুঙ্গিপাড়া থানায় মামলাটি  করেন।

আরও পড়ুন:
দাকোপে সুপেয় পানির তীব্র সংকটে দুই লাখ মানুষ

উল্লেখ্য, গত বুধবার খান সাহেব শেখ মোশাররফ হোসেন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৮ম শ্রেণির ক্লাস ক্যাপ্টেন পাটগাতি গ্রামের সোহাগ ফকির ও টুঙ্গিপাড়া গ্রামের নাঈম মৃধার মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। গত শনিবার এই নিয়ে ওই স্কুলে ম্যানেজিং কমিটির মিটিং বসে। মিটিং চলাকালে বহিরাগতরা লাঠিসোটা নিয়ে স্কুলে হামলা চালিয়ে জানালা, দরজাসহ আসবাবপত্র ও মূল্যবান মালামাল ভাংচুর করে। এ সময় ওই স্কুলের শিক্ষার্থীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়। এ ঘটনার পর রবিবার থেকে ৭ দিনের জন্য স্কুল বন্ধ ঘোষণা করেন কতৃপক্ষ।

টুঙ্গিপাড়া থানার এসআই মোজাহিদ হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেছেন,পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

/জেবি/